আরও দেখুন
মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের তেমন কোনো ট্রেডিং কার্যক্রম দেখা যায়নি বললেই চলে। অন্তত দিনের শেষে ইউরোর মূল্য প্রায় 20 পিপস হ্রাস পেয়েছিল, তবে পাউন্ডের ক্ষেত্রে তাও ঘটেনি। এই পেয়ারের মূল্য পুরো দিন জুড়ে 1.3456-1.3476 রেঞ্জে অবস্থান করেছিল। অন্য কথায়, দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা 30 পিপসও ছাড়ায়নি। EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনায় আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে তাত্ত্বিকভাবে কিছু ইভেন্টের প্রভাবে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে, তবে চার্টে তা দৃশ্যমান নয় এবং তা কোনো প্রভাবও ফেলেনি। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে ভূ-রাজনৈতিক বা সামষ্টিক প্রেক্ষাপট কোনোটিই এটির উপর প্রভাব ফেলেনি। আনুষ্ঠানিকভাবে, এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পরে একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তবুও দরপতন ঘটছে না। সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও জটিল কাঠামো নিয়েছে এবং অটুট আছে, তবে পাউন্ডের মূল্য 1.3476-এর উপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারছে না। এটি এমন একটি পরিস্থিতি যা সমাধানযোগ্য নয়। আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুনরুদ্ধার এবং অন্তত কিছুটা মুভমেন্ট ঘটার আশা করছি।
মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি, কারণ দিনজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়ায় ছিল যেখানে সিগন্যাল গঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবু দিনের বেলা তেমন কোনো মুভমেন্ট না ঘটায় নতুন ট্রেডারদের জন্য মার্কেটে এন্ট্রির কোন ভিত্তি তৈরি হয়নি।
ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে এবং মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু না হলে মার্কিন ডলারের দর ফেব্রুয়ারি ও মার্চের মতো বৃদ্ধি পাওয়ার প্রত্যাশা করা কঠিন। পৃথক ঘটনার ভিত্তিতে এখনও মার্কিন ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে (যেমনটি এই সপ্তাহে যা লক্ষ্য করা গেছে), তবে আমরা মনে করি না যে মার্কেটে নতুন করে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা সৃষ্টি হবে।
বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3456-1.3476 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3380-1.3386 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3456-1.3476 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3587-1.3598 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার বিষয়টি ভুলে গেলে চলবে না।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3631-1.3641, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। আজও যুক্তরাজ্যে তেমন কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না এবং সেইসাথে কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ISM এবং ADP থেকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে—যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ, তবে ট্রেডাররা হয়তো এই প্রতিবেদনগুলোও সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করতে পারে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।